খালেদা জিয়ার জামিন ১৯ মার্চ সমাবেশের প্রস্তুতি।

Loading...

কাউকে ভালো লাগলো সে ভালো লাগাটা শুধু ভালো লাগায় সীমাবদ্ধ থাকে না। তাকে কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়। কিছু মানুষের ভালোবাসা মুগ্ধতা দিয়ে শুরু হয়। গল্পটা তুমি তে শুরু হয় শেষ হয় আমিতে। ভালোবাসার নমুনা ঠিক এমন সালমান শাহ এসে মৌসুমি কে বলবে “প্রিয়া আমি তোমায় খুব ভালোবাসি” মৌসুমি বলবে “আকাশ তুমি ভুলে যাচ্ছ তুমি কোটিপতি খান বাহাদুর মির্জা সাহেবের একমাত্র ছেলে আর আমি সামান্য তোমার বাবার দারোয়ানের মেয়ে” শালমান শাহ বলবে “আমার ভালোবাসা কোনো জাত মানে না” অতঃপর মৌসুমি গলে পানি গান শুরু হবে ” ভালোবাসিয়া গেলাম ফাসিয়া করতে হইবো এবার যে বিয়া ।” রিয়েলিটি তে একটু ভিন্ন, ফুসকা খাবে, বাদাম খাবে, রিক্সায় ঘুরে বেড়াবে। এদের মতে ভালোবাসা বলিউড এর ছবি। আরে বাপ এটা তিন ঘন্টার মুভি ভাবতেছো? জ্বি না রে বাপ। এটা একটা জীবনের হ্রদপিন্ড। অহ কিছু আবার বিনোদন মনে করে। আবেগ ভাইসা ভাইসা আসে।। এমনভাব দেখাবে প্রথম প্রথম যেনো ওরে ছাড়া আমার এক সেকেন্ড চলে না। এদের কাছে ভালোবাসা মানে এই ফেব্রুয়ারি তে ভালোবাসা দিবস সেলিব্রেট করে এপ্রিলে এসে এপ্রিল ফুল বানিয়ে দেয়।। লাভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট ছেলেদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। কোনো মেয়েকে ভালো লাগলো তাকে চাই চাই। যত চেষ্টা আছে সব করবে ইম্প্রেশ করার জন্য। মেয়ে তো সেই মুহুর্তের ছেলেটার ইনোসেন্ট চেহারা দেখে ভাববে “বেচারা আমাকে অনেক ভালোবাসে” আর মেয়ে গুলোর ফ্রেন্ড রা বলবে “দোস্ত তুই খুব লাকি, অমুক ভাই তোরে খুব ভালোবাসে ” শেষ পর্যন্ত যা হয় “বন্ধু তুই লোকাল বাস আদর কইরা ঘরে তোলস ঘাড় ধইরা নামাস” (লাইন গুলা খুব সম্ভবত ভুল হইছে, মনে পরছে না আমার) ভালোবাসা একদিনের না, ফুসকা খাওয়া, বাদাম খাওয়া, গিফট দেওয়া নেওয়ায় কখনো ভালোবাসায় থাকে না। কোথায় জানি শুনেছিলাম মেয়েটা অসুস্থ ছিল ভিষন। কয়েকদিনের পড়া মিস হয়ে গেছিলো। ছেলেটা খুঁজে সাজিয়ে ঘুচিয়ে লিখে মেয়েটা কে দিয়েছিলো।

 

 

 

Loading...

এরকম কয়জন দিবে? বিশেষ করে এখন তো কখনোই না। মানুষ যা করে তা হলো আবেগ নিয়ে কাজ চালায়। স্পেশালি ছেলেরা করে। ব্যাপার টা ঠিক এমন মেয়েটা বলবে – একটা কথা বলি ছেলেটা বলবে -আর যাই বলো ব্রেক আপের কথা বলো না। দুই এক বছর পরে ছেলেটা কিছু হওয়ার আগেই বলবে যাও তো যাও। যেই ছেলেটা প্রথম বলবে তুমি কাঁদলে আমার কষ্ট হয়, সেই ছেলেটা দুই এক বছর পর বলবে আরে কাঁদলে চোখ পরিষ্কার হয়। যে একদিন বলতো একদিন না খেলে আমি তিন দিন খাবো না সে একদিন বলবে দুই একদিন না খেলে কিচ্ছু হয় না। যে একদিন বলবে ঝগড়া যাইহোক আমি মানিয়ে নিবো সে একদিন বলবে দেখো আমাদের mentality সমান না দূরে থাকা ভালো। ব্লা ব্লা ব্লা এইসব ছেলেদের দ্বারাই সম্ভব। ওরা জানেই না ওদের এই নাটক কত দূর গড়াতে পারে। কিছু ছেলে তো সোজা লিটনের ফ্ল্যাটে। আরে ওই তোগো আক্কেল এমন ক্যা? সাহস থাকে তো কাজি অফিসে নিয়া যা।।। একটা ছেলে জানেই না একটা মেয়ে তার বাবার মত একটা ছেলে চায়।। এখন মেয়েটা কে স্বপ্ন দেখাবা তার দুই তিন বছর পর ছুঁড়ে ফেলে দিবা তারপর ওই মেয়ে জীবন্ত লাশে পরিণত হবে। ছেলেদের কোনো ধারণাই থাকে না সে কি করেছে। এটা ন্যাচারাল বলে চালিয়ে দিবে। কি দরকার ছিল এটা করার। এমন বালুরবাসা পকেটে রাখলেই চলে। নেশা কেটে গেলে তুমি ও কেটে যাবে এটা আর যাইহোক ভালোবাসা না।। সর্বশেষ যা হয় মেয়েটা বুঝতে পারে সেই ছেলেটা আর সেই ছেলেটা নেই তখনও পরে থাকে। তার যে কিছুই করার নেই । যাইহোক আসলে ভালো খারাপ ছেলে মেয়ে উভয়ের মাঝে আছে। অনেক ক্ষেত্রে মেয়েরাও ধোঁকা দেয়। শুনুন একটা ভিত্তি গড়ুন। এমন একজনকে চুজ করুন যে প্রথম দিনের মতই থাকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্তএকটু বড় পোস্ট,,,,,, কষ্ট করে পড়ার চেষ্টা করবেন,হয়তো উপকার হবে, একটু সময় নিয়ে পড়বেন আশা করি। দুনিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় বিস্ময় হলো,মানুষ প্রতিদিন তার সামনে অসংখ্য মানুষকে মরতে দেখেও মৃত্যুর কথা স্মরন করেনা। কেবলমাত্র বেপর্দার কারনে দেশে আজ চরম অশান্তি,নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়েছে, জনমনে নাভিশ্বাস সৃষ্টি, শান্তির পায়রাটা যেন কোন অচিন দেশে চলে গেছে; নারী ধর্ষন, এসিড নিক্ষেপ,ধর্ষনের পর হত্যা ও গুম এবং বর্তমান সময়ের সর্বাধিক আলোচিত ‘ইভটিজিং’ ও ইসলামী পর্দা লঙ্ঘনেরই মহা পুরুস্কার।

Loading...

 

 

 

ইসলামের পর্দার বিধানের প্রতি অবহেলা,যুবক- যুবতি,সহ শিক্ষার নামে তরুণ- তরুনীদের অবাধ মেলামেশা ইত্যাকার অশ্লীলতার সয়লাব আশঙ্কাকাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়াতে দেশের ধর্মপ্রান জনসাধারণের জিবনযাত্রা দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে, অসহায় হয়ে পড়েছে অনেক আশা নিয়ে কলিজার টুকরা সন্তানকে কলেজে,মহাবিদ্যালয়ে পাঠানোর পর তাদের এ চারিত্রিক অবক্ষয়ের খবর শুনে বা অদপতন দেখে। অতএব জিবন ধারণের জন্য খাদ্য ও পানির প্রয়োজনিতা যেমন অনস্বীকার্য, তদ্রুপ ইসলামী পর্দাও একটি অপরিহার্য প্রয়োজনীয় বিষয়। খাদ্য-পানির অভাবে জিবন যে ভাবে বিপন্ন হয়ে পড়ে,পর্দার অভাবে জিবনের নির্মুল,সাবলীল,সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সচল প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তদাপেক্ষা অনেক বেশী। কেননা,খাদ্য ও পানির অভাবে শুধুমাত্র সঙ্কটাপন্ন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। আর একজন বেপর্দা নারী নিজেতো ধ্বংস হয়’ই,সাথে সাথে সমাজের আরো দশ-বিশটি যুবকের জিবনকে ও ধ্বংস করে। ইসলামের পর্দার মহান বিধানকে যারা মানেনা,অবহেলা করে,আসলে তারা মহান আল্লাহকেই অস্বীকার করে। এরা তাদের এ বেপর্দাহীন তথাকথিত সভ্যতা ও আধুনিকতা দ্বারা এ কথা প্রমান করতে চায়, যে মহান আল্লাহ ধরণীকে এত অপরুপ সাজে সজ্জিত করে তার মাঝে সর্বাপেক্ষা সুদর্শন সৃষ্টি হিসাবে এক ফোটা অপবিত্র বীর্য হতে তাদের মত নর – নারীকে সৃষ্টি করেছেন,সে সুমহান সত্ত্বা থেকেও তাদের জ্ঞান বেশী, (নাউযুবিল্লাহ)। দুনিয়াবাসীর জন্য যে জিবন ব্যবস্থা নির্দারন করেছেন,সে বিধানের বিরুদ্ধাচরণ বা উপেক্ষা করার চেয়ে চরম নির্বুদ্ধিতা আর কিছুই নেই। অথচ, আজকের সমাজ সে আইন উপেক্ষা করে চলেছে খুশী মনে; ফলে,তারা অতিদ্রুত ধ্বংস ও পতনের দ্বারপ্রান্তে এসে উপনিত হয়েছে। পর্দা না করার কারনে সমাজ জিবনটা খুবই নোংরা হয়েগেছে। পৃথিবীতে আবরণমুক্ত কোন ফল নেই,আল্লাহ সৃষ্টি করেননি। ইসলামে অনুমোদিত মার্জিত ও রুচিপূর্ণ পোশাক পরিহিতা একজন রমণী পৃথিবীতে যতটা সর্বাধিক সুন্দরী,ব্যক্তিত্বসম্পন্না হিসাবে বিবেচিত। একজন উলঙ্গ, অর্ধ উলঙ্গ,অশালীন ও কু- রুচিপূর্ণ পোশাক পরিহিতা নারী পৃথিবীর বুকে ঠিক ততটাই কুৎসিত,নিন্দিত ও প্রয়োজনহীন। পরিশেষে আমি বলতে চাই, যে বিদ্যা অর্জন করল কিন্তুু চরিত্র লাভ করলা না,নিজেকে খাটি মানুষ তৈরি করতে পারলো না, তাকে দেখে আরো দশজন মানুষ ভালো হতে পারলো না, সেই মানুষটি গলায় মুক্তার মালা পরিহিত বন্য শুকুরের মতই। কেন আমাদের বিবেগ জাগেনা???? কেন আমরা সঠিক পথ বুঝিনা??

 

 

 

আমাদের যেটা পছন্দ হয় সেটা মানি,কিন্তুু আল্লাহর পছন্দের পরোয়া করিনা। বড় হতভাগা আমরা,নিজের ভালো বুঝতে চাইনা। নামাজ যেমন ফরয ঠিক তেমনেই পর্দাও ফরয। কিন্তুু পর্দাকে আমরা আড় চোখে দেখি। আজ সমাজের দিকে তাকালে দেখা যায়,পর্দাটা যেন শুধু আলেমদের পরিবারদের জন্যই।আর বাকিদের জন্য মাফ,আসলে কি তাই??? আপনার কি মনে হয়,একটু চিন্তা করুন। নিজে পর্দা করুন,নিজের মাকে বুঝান,বোনকে ও। সকলের মন পরিবর্তনের জন্য আল্লাহর কাছে নামাজ পড়ে চোখের পানি ফেলুন,হয়তো একদিন দয়াময় কবুল করবেন। লেখা: সাদিকা সোলতানা বুশরা

Loading...

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *