WWE-তে প্রকাশ্যে মহিলার পোশাক খুলে নিল !

Loading...

দাম্পত্য জীবনে করণীয় . . . আপনি যখন একটা মেয়ে কে বিয়ে করবেন, হোক সেটা লাভ বা সেটেল ম্যারেজ। তখন আপনার উচিত বাসর রাতেই আপনার ওয়াইফ কে বলে দেয়া যে,, . আমি তোমার বন্ধুর মতো, তুমি আমাকে স্বামীর মতো সম্মান করবে, আর বন্ধুর মতো সব কিছু শেয়ার করবে। আর দুইজনেরি উচিত হবে যার যার অতীত যদি সেটা খারাপও হয়, তাহলে তা টেনে না আনা। সব সময় ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করা। . মাঝে মাঝে আপনি আপনার ওয়াইফ কে নিয়ে কোথাও থেকে ঘুরে আসবেন। ছুটির দিনে এক সাথে সময় কাটাবেন, এক সাথে মধ্য রাতে তাহাজ্জুত এর নামাজ পরবেন। আর আল্লাহর কাছে সুখে থাকার জন্য দোয়া করবেন। . মাঝে মাঝে আপনার ওয়াইফ যদি ভুল করে তাকে ধমকের সুরে বা রেগে কথা না বলে সুন্দর ভাবে যতটা সম্ভব বুঝাবেন। . বেশির ভাগ ওয়াইফ চেষ্টা করে তার হাসবেন্ড কেভালভাবে রান্না করে খাওয়াতে, একটু রান্নার প্রশংসা শুনতে, যদি রান্না ঝাল, পানসে, নোনতা হয়ে যায়, তারপরেও আপনার উচিত হবে চিল্লা ফাল্লা না করে চুপ চাপ খেয়ে উঠে যাওয়া, আর পারলে একটু প্রশংসা করা। , যখন আপনার ওয়াইফ সেই খাবার খাবে, তখন তিনি নিজ থেকেই চিন্তা করবেন যে কি রান্না করলাম আমি? অথচ আমার হাসবেন্ড তা কষ্ট করে খেয়ে উঠে গেল, আবার প্রশংসাও করলো। এতে আপনার প্রতি আপনার ওয়াইফ এর ভক্তি, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা অনেক বেড়ে যাবে। . মাঝে মাঝে একি প্লেটে দুইজনে খাবেন। একে অপরকে খাইয়ে দিবেন, এতে দুইজনের মাঝেই মুহাব্বত টা অনেক বেশিই জোড়ালো হবে। . আপনি আরও একটা কাজ করতে পারেন, প্রতিদিন একটা করে লাল গোলাপ আপনার ওয়াইফ এর জন্য এনে তার হাতে দিয়ে বলবেন,, অনেক বেশি ভালোবাসি।

 

 

Loading...

 

. কেনো ভাই,, আপনি আপনার গার্ল ফ্রেন্ড, যার সাথে আপনার সম্পর্ক ইসলাম কখনো সাপর্ট করেনা, তাকে আপনি দিনের মধ্যে ১৪ বার আই লাভ ইউ বলতে পারেন, আর যে কিনা আপনার লাইফ পার্টনার, আপনার ওয়াইফ, তাকে কি একটা বারও ভালোবাসি কথাটা বলতে পারবেন না? . প্রতিদিন না পারলেও অন্তত সপ্তাহে একটা দিন হলেও ফুল দিন। একটা দিন হলেও ফুলটা দিয়ে বলুন, অনেক বেশি ভালোবাসি তোমায়। আর অবশ্যই ফুল দিয়েই বলবেন। কারন ফুল হচ্ছে ভালোবাসার প্রতিক। এতে মেয়েরা অনেক বেশিই খুশি হয়। . দাম্পত্য জীবনে ঝগড়া হওয়াটা স্বাভাবিক, ঝগড়া হলে আপনার উচিত হবে রাগ করে বসে না থেকে আপনার ওয়াইফ এর দোষ থাকলেও নিজের দোষ তুলে ধরা, নিজ থেকে ক্ষমা চাওয়া, এতে ছোটো হওয়ার কিছু নাই। কারন এতে আপনি অহঙ্কার থেকে মুক্ত হয়ে বড় মনের পরিচয় দিলেন। . আর মেয়েদেরও মাথায় রাখা উচিত যে আপনার স্বামি আপনার সব কিছু। . আর আপনার ওয়াইফ কে ধার্মিক হিসেবে গড়ে তুলুন, সব সময় একে অন্যকে সালাম দিন। তবে আপনার নাম ধরে ডাকার সাহস কখনোই দিবেন না। এতে শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতার কমতি দেখা দিবে। . বর্তমানে অনেক বেশি দেখা যায় যে ওয়াইফ তার হাসবেন্ড কে নাম ধরে ডাকছে, আমার মতে যা চরম বেয়াদবির সামিল। হুজুর (সা:) এর নাম ধরে বা তার সাহাবা আজমাইন এর নাম ধরে তাদের সহধরমিনী গন কখনই ডাকেননি। পরবর্তিতে, তাবেই, তাবেইন,তাবে তাবেইন দেরও নাম ধরে তাদের সহধরমিনী গন কখনই ডাকেনি। এমন কি আমাদের মাদেরকেও কখনো দেখিনি বাবাদের নাম ধরে ডাকতে। আমার মতে কোনো ভদ্র মহিলা তার স্বামীকে কখনোই নাম ধরে ডাকবেনা। যদি সে সত্যিকারের ভদ্র মহিলা হয়ে থাকে। . আর আপনার আরও একটি গুরত্বপূর্ণ করণীয় কাজ হচ্ছে আপনার ওয়াইফ কে সিরিয়াল দেখতে না দেয়া,

 

 

 

কারন এতে সংসারে শুধু অশান্তিই সৃষ্টি হয়। . আপনার ওয়াইফ যখন অসুস্থ হয়ে যাবে, তখন শুধু ডাক্তার দেখিয়েই ভাব্বেন না যে আপনার কাজ শেষ, সেটা আপনার উচিত হবেনা। আপনি অসুস্থ হলে, আপনার ওয়াইফ যদি আপনার কাপড় ধুয়ে দিতে পারে, মাথায় পানি দিতে পারে, মাথা টিপে দিতে পারে, তাহলে আপনি কেন তার সেবা করতে পারবেন না? আপনারও উচিত হবে যতটা সম্ভব তার সেবা করা। রান্না বান্নায় তাকে যতটা সম্ভব হেল্প করা। , এভাবে যদি চালিয়ে নিয়ে যেতে পারেন, তাহলে দেখবেন দাম্পত্য জীবনে আপনাদের ভালোবাসা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, এক চুলও কমছেনা। এতে আপনারা সুখেই থাকবেন আশা করি। আমি খাটে শান্তভাবে বসে আছি। কিন্তু স্পষ্ট বুঝতে পারছি আমার শরীর ঘামছে। ভয়ে নয়, উত্তেজনায়। সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় চাচার সাথে দেখা হয়েছিল। উনি তো আমাকে দেখে রীতিমত ভূত দেখার মতো চমকেছেন। আমি স্বাভাবিক গলায় সালাম দিতেই উনি বললেন, বাবা, তুমি! : জি, চাচা। ফিরে এলাম। কেউ মনেহয় আসে না, তাই না? চাচা কপাল কুঁচকে আমার দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করছিলেন যে এখন তাঁর কী বলা উচিত বা কী করা উচিত। ওনার নীরবতা থেকে এটা স্পষ্ট যে এর আগে কখনো কেউ ফিরে আসেনি। চাচা একদিনের জন্য ভাড়া দিয়েই অভ্যস্ত। সবাই সকাল না হতেই ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। আবার নতুন ভাড়াটে আসে। চাচা একমাসের ভাড়া অগ্রিম নিয়ে নেয়। সেও পরদিন পালায়। এটা চাচার একটা ভালো আয়ের উৎস। তাই হঠাৎ আমাকে ফিরে আসতে দেখে উনি শুধু অবাকই হননি, রিতীমতো আতঙ্কিত বলা চলে। দোকানদার এ বাড়ি সম্পর্কে যে বর্ণনা দিয়েছেন সেটা শুনে কোন ছিট গ্রস্থও এ বাড়িতে ফিরে আসবে না এটা নিশ্চিত।

 

 

Loading...

 

কিন্তু আমি ফিরে এসেছি। এর মানে এই নয় যে আমি খুব সাহসী। এর মানেটা হচ্ছে এই যে আমি বাস্তববাদী। দোকানদারের কথাগুলোর ৮০% মিথ্যে। এটা আমার ধারণাই নয়, বিশ্বাসও বলা চলে। প্রথমত, লোকটার চেহারা থেকেই এটা স্পষ্ট যে তিনি একজন নেশাখোর। নেশার ঘোরে আবোল তাবোল বকেছে। মতিন চাচার সাথে তার ব্যক্তিগত কোন বিরোধও থাকতে পারে। যার কারণে নেশার ঘোরেও চাচাকে গালমন্দ করতে ভোলেনি। দ্বিতীয়ত, এ ঘর থেকে যদি সত্যিই কারো মাথা কাটা লাশ বের করা হতো তাহলে অবশ্যই পুলিশ সেটা সিলবদ্ধ করে রাখতো। আর একটা মানুষ যতই টাকার লোভী হোক না কেন নিজের বাড়িতে কাউকে এমন বীভৎস মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিবে না। আমার সবচেয়ে বড় মনোবল হচ্ছে- আমি এখনো বেঁচে আছি। আমার সাথে খারাপ কিছু হবার থাকলে কাল রাতেই হয়ে যেত। কিন্তু হয়েছে উলটো। আমার ব্যাগে এখনো স্বপ্নে দেখা সেই টাকা এবং গহনা। এগুলোই প্রমাণ করে যে এ ঘরে ভূত কিংবা মানুষ যেই থাকুক না কেন আমার কোন ক্ষতি করার ইচ্ছে তার নেই। থাকলে সে গত রাতেই করে ফেলতো। আমার সাথে যা হয়েছে তা একেবারে ভয় পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার মতোও নয়। মোবাইলটা হাতে নিয়ে আমি আবারো ছবিটা দেখলাম। কী রহস্য এই ছবির! কী রহস্য এই ঘরের! কী হতে চলেছে আমার সাথে! ফিরে আসাটাই বা কতটা বুদ্ধিমানের কাজ হয়েছে? জানি না, তবে না জেনে থাকাও যাবে না। আমাকে জানতে হবে। আমি পা দিয়ে ধাক্কা মেরে ব্যাগটা খাটের নিচের দিকে ঢুকিয়ে দিয়ে উঠে দাঁড়ালাম। আর ঠিক তখনি মনেহলো আমার পিছনে কেউ দাঁড়িয়ে। না, এটা আমার মনের ভুল নয়। আমি কারো নিঃশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছি। কিন্তু ফিরে তাকানোর সাহস হচ্ছে না। মস্তিষ্ক একটাই সিগন্যাল পাঠাচ্ছে পায়ে- ছুটে পালাও, এখনি! কিন্তু পা প্রতারণা করছে, নড়ছে পর্যন্ত না। পেছনে যে আছে সে আমার দিকে এগিয়ে আসছে। আমি তার প্রতিটা পদক্ষেপ টের পাচ্ছি। হঠাৎ দোকানদারের শেষ কথাগুলো মনে পড়লো- দুই টুকরা।

 

 

 

মাথাটা ছিল খাটের নিচে। আর শরীরটা ফ্লোরে….সারা ঘরের দেয়ালে আর ফ্লোরে রক্ত আর রক্ত…. আমরা যখন মানসিক ভাবে ভীত থাকি তখন আমাদের মস্তিষ্কও ভয়ের স্মৃতিগুলো নিয়েই নাড়াচাড়া শুরু করে। অন্ধকারের সাথে মানব মনের ভয়ের সম্পর্ক জন্ম থেকেই। তাই দিনের বেলা যে বিড়ালটার ‘মিয়াও’ ডাক শুনে আমরা নিজেরাও মুখে মুখে ‘মিয়াও, মিয়াও’ করি, রাতের বেলা সেই বিড়ালটার মিয়াও শুনেই চমকে উঠে উলটো দিকে দৌড়ে পালাই এবং বিড়াল সম্পর্কে যত জায়গায় যত জনের কাছে যতগুলো ভয়ঙ্কর কাহিনী শোনা হয় সবগুলোই এক এক করে চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ছাদের ঘরটায় আলো কম ঢোকে। তারপরও দিনের আলো দিনের আলোই। ঘরে ভয় পাবার মতো অন্ধকার ছিল না। তবে অন্ধকার যদি কিছু থেকে থাকে সেটা আমার মনে। আমি বারবার মনকে বোঝানোর চেষ্টা করলাম দোকানদার নেশাখোর। নেশার ঘোরে আবোল-তাবোল বকেছে। কিন্তু আমার মনের ভীতি মস্তিষ্কের মনিটর স্পষ্ট করে তুলল চোখের সামনে। সারা ঘরের দেয়াল এবং ফ্লোর থেকে রক্ত চুইয়ে পড়তে দেখলাম আমি। লাল রক্ত…

Loading...

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *